সপ্তাহের শুরুতে দেশের শেয়ারবাজারে দেখা গেছে মিশ্র প্রবণতা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকে ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিকভাবে বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত মিলেছে। এদিন প্রধান সূচকসহ দুটি সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও একটি সূচক সামান্য কমেছে। একই সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমলেও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক গতিতেই রয়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমলেও এখনো পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি বা স্থায়ী সমাধান না আসায় আন্তর্জাতিক বাজারেও সতর্কতার প্রভাব রয়েছে।
দেশীয় বাজারে আবার তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের শতাধিক কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণার মৌসুম চলছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা এখন অপেক্ষাকৃত হিসাবি অবস্থানে রয়েছেন। অনেকেই নতুন বিনিয়োগের আগে কোম্পানির ডিভিডেন্ড ও সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা যাচাই করে নিচ্ছেন। এতে বাজারে মিশ্র প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৭.৫৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১৬.১৮ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক ১.৪৪ পয়েন্ট কমে নেমেছে ১ হাজার ৬৫.২০ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১১.৩৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ২৬.২৯ পয়েন্টে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯১টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৫৭টির শেয়ার দর বেড়েছে, ১৭২টির কমেছে এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে কিছুটা চাপ থাকলেও লেনদেনের গতি ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৯৮২ কোটি ৪২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৮৮৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৯৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে। এদিন ২৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি।
সিএসইতে মোট ২২১টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯৭টির দর বেড়েছে, ৯৬টির কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৪.৭২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৭৬.৪৪ পয়েন্টে।



