১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবি পার্টির ক্ষোভ

বিদ্যুতের মূল্য ১৫–২০ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের জনগণ যখন লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, শিল্প খাতের সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপে দিশেহারা, তখন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে।

এবি পার্টির নেতারা বলেন, বিদ্যুৎ কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান। ফলে বিদ্যুতের দাম বাড়লে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে।

তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত সক্ষমতার নামে অর্থ অপচয় এবং জবাবদিহিতার অভাবের কারণে সৃষ্ট সংকটের দায় জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে। তাদের ভাষায়, “দুর্নীতি-লুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি জনবান্ধব রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা হয় অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে; জনগণের ওপর নতুন আর্থিক বোঝা চাপিয়ে নয়। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ক্ষতির মুখে ফেলবে।

এবি পার্টি অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেছে-

  • বিদ্যুৎ খাতের সব চুক্তি, ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থার নিরপেক্ষ নিরীক্ষা করতে হবে।
  • প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে।
  • দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর পরিবর্তে খাতটির সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

দলটির মতে, বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।